 |
|
বাংলাদেশের পর্যটন
 বাংলাদেশের পর্যটন |
|
| |
|
বাংলাদেশের চিত্রপট
অবকাশ যাপনের
স্থান হিসেবে
বাংলাদেশের
রয়েছে বিভিন্ন
প্রেক্ষাপট।
বাংলাদেশের
পর্যটন সম্পদের
মধ্যে রয়েছে
প্রাকৃতিক
নিসর্গ, প্রত্বতাত্ত্বিক
নিদর্শন, ধর্মীয়
নিদর্শন, ধর্মীয়
স্থাপনা, সৈকত,
পিকনিক স্পট,
বনাঞ্চল ও বন্যপ্রাণী।
পর্যটকদের
চিত্তবিনোদনের
জন্য বাংলাদেশ
দিচ্ছে বিভিন্ন
সুযোগ। তন্মধ্যে
রয়েছে মৎস্য
শিকার, ওয়াটার
সিকয়িং, নৌবিহার,
পদব্রজে গ্রামাঞ্চল
ভ্রমণ, দাঁড়টানা,
সারফিং, সমুদ্র
স্নান। উপরনত
তাদের নিয়ে
আসে প্রকৃতির
অতি কাছে। দেশে
প্রচুর বন্যপ্রণী
ও শিকার পাখীও
রয়েছে।
অবসহান ও ভৌগলিক
বৈশিষ্ট
বাংলাদেশ দক্ষিণ
এশিয়ার উত্তর-পূর্ব
অংশে অবস্থিত।
ইহা ২০০ ৩৪’ ও
২০০ ৩৬’ উত্তর
অক্ষাংশ এবং
৮৮০ ০১’ ও ৯২০
৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের
মধ্যে অবস্থিত।
উত্তর সীমান্ত
আগলে দাঁড়িয়ে
আছে হিমালয়
পর্বতমালা
ও দক্ষিণ সীমান্ত
বঙ্গোপসাগর
দ্বারা বেষ্টিত।
পশ্চিমে রয়েছে
ভারতের প্রশস্ত
গাঙ্গেয় সমতলভূমি
(পশ্চিম বঙ্গ)
এবং পূর্ব সীমান্তে
মায়ানমার (আরাকান
রাজ্য) ও ভারত
(ত্রিপুরা ও
আসাম পর্বত)-এর
দুর্গম বনাঞ্চল।
প্রায় ১,৪৭,৫৭০
বর্গ কি.মি. (৫৫,৫৯৮
বর্গ মাইল) - এর
ভৌগলিক সীমানার
ছবির মত প্রায়
সমভুমির উপর
দিয়ে অসংখ্য
ছোট-বড় নদী, উপনদী
ও খরস্রোতা
নদী এঁকেবেঁকে
বয়ে চলছে। পদ্মা,
যমুনা, মেঘনা,
কর্ণফুলী ও
অন্যান্য নদী
বাংলাদেশের
উপর দিয়ে প্রবাহিত
হচ্ছে। উপরে
অপরিমেয় নীল
আকাশ এবং নীচে
সবুজ ও রুপালী
নিসর্গ বহু
দূর পর্যন্ত
চলে গেছে। উর্বর
ভূমি আর দানশীল
প্রকৃতি এইতো
বাংলাদেশ।
ইতিহাস
বাংলাদেশের
রয়েছে উত্তাল
আন্দোলন ও সূখ
এবং সমৃদ্ধি
ও দারিদ্রের
ইহিহাস। ইহা
সাংস্কৃতিক
প্রাচুর্যে
সমৃদ্ধ হয়েছে
এবং যুদ্ধের
ধ্বংসালীলায়
হয়েছে পর্যুদস্ত।
বাংলাদেশের
আদি বর্ণনা
পাওয়া যায় হিন্দু
মহাকব্য মহাভারতে
(৯ম শতাব্দীর
মহাযুদ্ধের
কাহিনী)। প্রমাণিক
তথ্য থেকে প্রতীয়মান,
এখানে মঙ্গোলীয়দের
দৃঢ় অবস্থান
ছিল। ৫ম ও ষষ্ঠ
শতাব্দীর পরপরই
মধ্য এশিয়া
থেকে আর্যরা
এবং পশ্চিম
ভারত থেকে দ্রাবিড়েরা
এদেশে আসে।
অতপর আসে গুপ্ত,
পাল ও সেনরা,
যারা ছিল বৌদ্ধ
ও হিন্দু সমপ্রদায়ভুক্ত।
ত্রয়োদশ শতাব্দী
থেকে মুসলমানদের
নিরবিচ্ছিন্ন
আগমনে বৌদ্ধ
ও হিন্দু সমপ্রদায়ের
প্রভাবে এদেশ
থেকে বিলুপ্ত
হয়। কিছু সময়
হোসেন শাহী
ও ইলিয়াস শাহীর
বংশের ন্যায়
অন্যান্য শাসকগণ
স্বাধীনভাবে
এবং অন্য সময়ে
দিল্লীর সম্রাটের
পক্ষে বাংলা
শাসন করে। ১৫
শতাব্দীতে
ইউরোপীয়ান
যেমন পর্তূগীজ,
ওলন্দাজ, ফরাসী
এবং বৃটিশ বণিকগণ
এ অঞ্চলের উপর
অর্থনৈতিক
প্রভাব বিস্তার
করে। পলাশীতে
১৭৫৭ খ্রীষ্টাব্দে
বাংলার শেষ
মুসলমান শাসক
পরাজিত হওয়ার
পর ব্রিটিশ
রাজনৈতিক কর্তৃত্ব
শুরু হয়। ১৯৪৭
সালে ভারতবর্ষ
বিভক্ত হয়ে
ভারত ও পাকিস্তান
নামে দুটি আলাদা
রাষ্ট্র গঠিত
হয়। বর্তমান
বাংলাদেশ তদানীন্তন
পাকিসতানের
পূর্বাঞ্চলের
অন্তর্ভূক্ত
হয়। দুই অংশের
মধ্যে ভাষা,
সাংস্কৃতি
ও অর্থনৈতিক
বৈষম্যের কারণে
কয়েক বৎসরের
মধ্যে পূর্ব
পাকিসতানে
স্বায়ত্বশাসন
প্রতিষ্ঠার
আন্দোলন দানা
বেঁধে উঠে।
বাংলাকে রাষ্ট্র
ভাষা হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত
করার জন্যে
১৯৫২ সালে ভাষা
আন্দোলনের
মধ্য দিয়েই
স্বাধীনতার
বীজ রোপিত হয়।
পরিশেষে, তদানীন্তন
পূর্ব পাকিসতান
নয়মাস দীর্ঘ
মুক্তিযুদ্ধের
পর ১৯৭১ সালে
বাংলাদেশ একটি
স্বাধীন ও সার্বভৌম
রাষ্ট্র হিসেবে
জন্ম লাভ করে।
যু্দ্ধটি
১৯৭১ সালের
২৬ মার্চ শুরু
হয় এবং এ যুদ্ধে
৩০ লক্ষ বাংলাদেশী
শাহাদাত বরণ
করে।
|
|
|